Online Income

ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরে বসে আয় করুন: অনলাইন কাজের দারুণ কিছু আইডিয়া

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আশা করি ভালো রয়েছেন ইনশাল্লাহ আমি ভালো রয়েছি তাই আজ আপনাদের নতুন একটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম আশাকরি আমার এই আর্টিকেল থেকে অনেকেই উপকৃত হবেন এর আগে আমাদের ওয়েবসাইটে আরেকটি আর্টিকেল পাবলিশ হয়েছে সেখানে আমরা দুটি ইনকাম পদ্ধতি দেখিয়েছি আজকে আমরা আরো কিছু পদ্ধতি দেখে নেব আমরা সেই পোস্ট থেকে সব গুলো জানতে পারিনি৷

আজকে আমরা এই পোস্ট থেকে বাকি অংশ গুলো জেনে নেব যারা এর আগের পোস্টটি দেখেননি তারা অবশ্যই দেখে নিবেন আজকে আমরা খুব বেশী একটি কথা বলবো না তো আজকে আমরা যে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলবো এইগুলো করতে আপনার অনেক কিছু প্রয়োজন হতে পারে এবং আপনার সব কাজ মোবাইল ফোন দিয়ে নাও হতে পারে এর জন্য আপনার প্রয়োজন হবে পিসি ল্যাপটপ কম্পিউটার যেকোনো একটি থাকলে আপনি এই কাজগুলো খুব সহজে করতে পারবেন এই কাজগুলো প্রথমে আপনি মোবাইল ফোন দিয়ে চেষ্টা করে দেখতে পারেন যদি হয় তাহলে তো ভালোই আর যদি না হয় তাহলে আপনার অবশ্যই এই তিনটির ভিতরে যে কোন একটি প্রয়োজন হবে।

এবং আজকে যে কাজগুলি আমরা দেখাবো এই কাজগুলি আপনার শিখতে অনেক সময় লাগতে পারে এটি নির্ভর করে আপনার নিজের চেষ্টার উপরে আপনি যদি সবকিছু ভালোভাবে শিখতে চান এবং কাজ করতে চান তাহলে খুব অল্প দিনেই শিখে নিতে পারবেন আর যদি আপনি বলেন সেই কাজগুলো না আস্তে আস্তে শিখব তাহলে আপনার অনেক দিন সময় লেগে যাবে সবগুলো কাজ শিখতে চেষ্টা করবেন একটি করে কাজ একবারে শেখার জন্য সবগুলো কাজ যদি আপনি একসাথে শেখার চেষ্টা করেন তাহলে হয়তো সমস্যা হবে এর আগের পোস্টে আমরা আলোচনা করেছিলাম কিভাবে ব্লগিং করে অনলাইন থেকে ইনকাম করবেন এবং ইউটিউব থেকে ইনকাম করার সেরা কয়েকটি উপায় নিয়ে এর আগে আমাদের ওয়েবসাইটে একটি পোষ্ট পাবলিশ করা হয়েছে।

তো তাহলে চলুন আমাদের আজকের পোষ্টটি শুরু করা যাক।

freelancing করে কিভাবে ইনকাম করা যায় ?

তো বর্তমানে অনেকেই হয়তো ফ্রিল্যান্সিং এর নাম শুনেছেন এই কাজটি করে প্রতি মাসে একজন ইউজার কোটি কোটি টাকা ইনকাম করতে পারবেন এখানে মূলত অনেকগুলো কাজ এর কথা বলা রয়েছে শুধুমাত্র একটি কাজ নয় আমরা নিচে দেখব ফ্রিল্যান্সিংয়ের কিছু কাজ যে কাজগুলো আপনাকে প্রথমে শিখতে হবে এবং তার পরবর্তী সময়ে সেই কাজগুলো করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে এটি আপনি অন্য কাজ করে দেবেন আপনার নিজের কাজের জন্য নয়।

এবং ফ্রিল্যান্সিং করতে অবশ্যই আপনার ল্যাপটপ কম্পিউটার পিসি এইগুলোর প্রয়োজন হতে পারে কারণ মোবাইল ফোন দিয়ে আপনি এইগুলো কাজ নাও করতে পারেন যেহেতু এইগুলো উৎচ্ছ ধাপের কাজ তাই সবগুলো কাজ মোবাইল ফোন দিয়ে করা সম্ভব না যদি আপনার অন্য কিছু না থাকে তাহলেও প্রথমে এই কাজগুলো থেকে চেষ্টা করে দেখতে পারেন যদি করতে পারেন তাহলে করবেন আর যদি না করতে পারেন তাহলে তো করার কিছু নেই তো এখানে অনেকগুলো কাজ রয়েছে এবং ফ্রিল্যান্সিং দের বড় কিছু মার্কেটপ্লেস হয়েছে যে মার্কেটপ্লেসগুলোতে অনেক মানুষ কাজ করে এবং এইগুলো বেশির ভাগ হয়ে থাকে অন্য দেশের আমাদের বাংলাদেশের সবকিছু সেখানে পাবেন না কারণ মার্কেটপ্লেসগুলোই কিন্তু আমাদের বাংলাদেশের নয়।

এবং এইগুলো থেকে আপনাকে টাকা তোলার জন্য এক্সটা একটু কষ্ট করতে হবে এইটা কোন আপনারা সরাসরি বিকাশ এর মাধ্যমে নিতে পারবেন না এর জন্য আপনাকে ব্যাংক একাউন্ট তৈরি করতে হবে যতই মার্কেটপ্লেসগুলোর পেমেন্ট করবে অন্য দেশ থেকে তার জন্য আপনার অবশ্যই ব্যাংক একাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক তাছাড়া আপনি এখান থেকে টাকা তুলতে পারবেন না এখানে বিকাশ রকেট নগদ এইগুলো একটিও সাপোর্ট করবে না শুধুমাত্র ব্যাংকের মাধ্যমে এখান থেকে আপনি আপনার কাজের টাকাগুলো তুলতে পারবেন।

গ্রাফিক ডিজাইন করে ইনকাম

বর্তমানে একজন গ্রাফিক ডিজাইনার এর অনেক চাহিদা বিভিন্ন কাজের জন্য আমাদের ছবি প্রয়োজন হয় যাতে আমরা গ্রাফিক বলে থাকি তো আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে চান তাহলে আপনাকে সর্বপ্রথম কিছু অ্যাপসের মাধ্যমে চেষ্টা করতে হবে এবং শিখতে হবে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইনের অ্যাপস রয়েছে ফটো এডিটিং ভিডিও এডিটিং আরও বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস রয়েছে সেগুলোতে আপনি আগে এই কাজগুলো প্র্যাকটিস করবেন যাতে খুব সহজে আপনি কাজগুলো শিখতে পারেন আগেই কিন্তু ইনকামের চিন্তা করা যাবে না যখন আপনি কাজ গুলো ভালোভাবে শিখে যাবেন তখন আপনাকে চিন্তা করতে হবে যে এখন কিভাবে আমি এই কাজের মাধ্যমে ইনকাম শুরু করব।

আপনি খুব সহজেই বর্তমানে গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে পারবেন কারণ কল এবং ইউটিউবে অসংখ্য গ্রাফিক ডিজাইন এর ভিডিও বা টিউটোরিয়াল পাবেন যেগুলো দেখে আপনি খুব সহজেই গ্রাফিক ডিজাইন বলে এবং কিভাবে শিখতে হয় বিষয়গুলোতে পারবেন সবচেয়ে ভালো হবে আপনি যদি ইউটিউবে ভালো চ্যানেল দেখে গ্রাফিক ডিজাইন শিখবেন এছাড়াও অনেক পেড কোর্স রয়েছে অনেকেই বিক্রি করে তবে বেশিরভাগ কোর্স কিন্তু ফেইক থাকে ইউটিউব থেকে অনেকেই ভিডিও কপি করে সেই গুলো মানুষের কাছে বিক্রি করে তো আপনি চেষ্টা করবেন ফ্রিতে শেখার জন্য এর জন্য রয়েছে ইউটিউব এখানে যেকোন বিষয়ের উপর আপনি হাজার হাজার ভিডিও পাবেন।

এবং মোবাইল দিয়ে গ্রাফিক ডিজাইন খুব সুন্দর ভাবে আপনি করতে পারবেন না এর জন্য আপনার ল্যাপটপ কম্পিউটার অথবা পিসি এর মধ্যে যেকোনো একটি প্রয়োজন হবে মোবাইল ফোন দিয়ে খুব অল্প সংখ্যক মানুষ গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজ করতে পারে যারা শুধুমাত্র প্রফেশনাল তারাই মোবাইল ফোন দিয়ে এই কাজগুলো করতে পারে আর যারা একেবারে নতুন তাদের জন্য অনেক কঠিন হবে মোবাইল ফোন দিয়ে গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজ শিখার জন্য আপনার যদি মোবাইল ফোন হয়ে থাকে তারপরও আপনি প্রথমে চেষ্টা করে দেখতে পারেন অনেকেই হয়তো পারবেন মোবাইল ফোন দিয়ে কাজ করতে যারা পারবেন না তাদের জন্য তো করার কিছু নেই।

লোগো ডিজাইন করে ইনকাম যেকোনো মার্কেটপ্লেস বা যেকোনো অনলাইন ওয়েবসাইট কোম্পানি রয়েছে তাদের লোকের মাধ্যমে তাদের কোম্পানি বা ওয়েবসাইটের ধারণা নেয়া যায় প্রতিটি ওয়েবসাইটের একটি লোগো রয়েছে তাহলে পারতেছেন যে লোগো কি পরিমান চাহিদা এবং এর গুরুত্ব টা কত পরিমাণ যারা লোগো ডিজাইন করতে চান তাদের আগে শিখতে হবে কিভাবে সুন্দর লোগো ডিজাইন করা যায় অনেকেই হয়তো সাধারণ লোগো তৈরি করেন বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনাকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লোগো তৈরি করা যাবেনা বিভিন্ন দিয়ে নিজের চেষ্টায় লোগো তৈরি করতে হবে।

যদি আপনি অন্য লোগো কঁপি করে সেখানে নতুন টেক্সট দিয়ে সেটি বলেন যে আপনার লোগো তাহলে আপনি কোনদিন ভালো লোগো ডিজাইনার হতে পারবেন না কারণ যেকোন কাজ নিজের চেষ্টায় অবশ্যই ভালোভাবে কথা উচিত যদি আপনি পুরনো গুটি নিজেই তৈরি করতে পারেন একটি ওয়েবসাইটের জন্য তাহলে আপনি ভবিষ্যতে প্রফেশনাল লোগো ডিজাইনার হতে পারবেন অনেকে আছেন যারা বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে লোগো তৈরি করে সেখানে অটোমেটিকভাবে লোগো তৈরি করা থাকে শুধুমাত্র ওয়েবসাইট বা কোম্পানির নাম লিখে দিলে সেই নামের মধ্যে লোগো চলে আসে যদি আপনি এভাবে অনলাইনে ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনি কোনদিন ভালোভাবে সফল হতে পারবেন না কারণ এটি পুরোদমে একটি ভুয়া কাজ।

যেকোন কাজ আপনি আপনার নিজের চেষ্টায় করবেন তাহলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি সেই কাজটির উপর সফলতা অর্জন করতে পারবেন অনেকেই আছেন যারা কপি করেন এই কাজগুলো আপনারা ভুল করেও কখনো করবেন না এতে করে আপনার ওই কিন্তু লস হবে কারণ যারা লোগো ক্রয় করে তাদের কিন্তু একাধিক ওয়েবসাইট রয়েছে বা কোম্পানি রয়েছে তারা যদি একবার বুঝতে পায় যে আপনি তাদেরকে ভুয়া লোগো বা ফেক লোগো দিচ্ছেন তাহলে সে কিন্তু আপনার থেকে আর কোন প্রকার লোগো ক্রয় করবে না তাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য তাই সব সময় ভালভাবে কাজ করার চেষ্টা করবেন তাহলে অবশ্যই সে কাজটিতে সফলতা অর্জন এবং ইনকাম করতে পারবেন।

টি-শার্ট ডিজাইন করে ইনকাম আপনি যদি ভালোভাবে ডিজাইন‌ করতে পারেন তাহলে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি এই টি শার্ট ডিজাইন করে ইনকাম করতে পারবেন বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে টি-শার্ট ডিজাইন বিক্রি হয় আমাদের বাংলাদেশের যেমন তেমন অন্য দেশে কিন্তু খুবই চাহিদা এই ডিজাইনগুলো অবশ্যই আপনাকে আগে ভালভাবে এই ডিজাইনগুলো সম্পর্কে জানতে হবে এবং ভালভাবে শিখতে হবে তাহলে আপনি টি-শার্ট ডিজাইন করে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে খুব সহজে ডলার ইনকাম করতে পারবেন এবং আমাদের বাংলাদেশ থেকে অন্য দেশে টাকার কিন্তু অনেক মূল্য বেশি সেখানে ছোটখাটো একটি কাজের জন্য আপনাকে 5 থেকে 10 ডলার দিয়ে দিবে কিন্তু আমাদের বাংলাদেশের ছোটখাটো কাজ করলে আপনাকে সর্বোচ্চ 100 থেকে 200 টাকা দেবে।

Teespring এটি হচ্ছে একটি কাস্টম ডিজাইন প্লাটফর্ম যেখানে আপনি আপনার বিভিন্ন ধরনের টি শার্ট ডিজাইন বিক্রি করতে পারবেন এবং এখান থেকে আপনি নিজে টি শার্ট ডিজাইন তৈরি করতে পারবেন এছাড়াও আরো উপায় রয়েছে টি-শার্ট ডিজাইন বিক্রি করে যদি আপনি পেইড কোর্স নিয়ে টি-শার্ট ডিজাইন বিক্রি করতে চান তাহলে আপনি বিভিন্ন ধরনের অ্যাড দিতে পারেন যেমন ধরুন ফেসবুক একটা আপনি পোস্ট এর মাধ্যমে আপনার যে কোন প্রোডাক্ট বিশ্বের যেকোন মানুষের কাছে আপনি খুব সহজে প্রচার করতে পারবেন কারণ বেশিরভাগ দেশেই কিন্তু ফেসবুক ব্যবহার হয় এবং ফেসবুকে আমরা অনেক সময় অনেক ধরনের প্রোডাক্টের এড দেখে থাকি আপনি যদি ভালোভাবে টি-শার্ট ডিজাইন করতে পারেন তাহলে সেটি নিয়ে আপনি ফেসবুকে এড তৈরি করে দিবেন এর জন্য আপনার কিছু টাকা খরচ হতে পারে।

এ ছাড়া তো উপায় রয়েছে ইনকাম করার টি-শার্ট ডিজাইন করে আপনার নিজস্ব যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে সেটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট হোক অথবা সাধারণ ব্লগ ওয়েব সাইটেই হোক আপনি কিন্তু আপনার নিজস্ব টি-শার্ট ডিজাইন করে সেটি ওয়েবসাইটে সাজিয়ে রাখতে পারেন এবং যদি কারো পছন্দ হয় তাহলে আপনার থেকে সেটি মানুষ ক্রয় করবে যদি আপনি নিজে এই ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনাকে আগে মানুষের মন জয় করতে হবে অনেকেই হয়তো এই ব্যবসা গুলো করে কিন্তু তারা আগে মানুষের থেকে টাকা নেয় এবং পরবর্তী সময়ে কোন প্রকার প্রোডাক্ট তাদেরকে দেয় না অথবা পুরনো প্রোডাক্ট তাদেরকে দেই বাংলাদেশ কিন্তু আপনি এই ব্যবসা করতে পারবেন আপনি দেখবেন যে বিভিন্ন ধরনের সেলিব্রিটি রয়েছে যারা নিজের নামে টি শার্ট তৈরি করে হাজার হাজার টি-শার্ট এবং প্রোডাক্ট মানুষের কাছে বিক্রি করতেছে।

যদি আপনার নিজস্ব ওয়েব সাইট থাকে তাহলে আপনি এই কাজ করতে পারেন যদি আপনার ইচ্ছে তাহলে এই কাজগুলো করতে পারেন এবং এর কারণে আপনার ইনকাম ও ডাবল হবে ওয়েবসাইট এর পাশাপাশি যদি আপনি একটি শার্ট বিক্রি এর মার্কেট করতে পারেন তাহলে আপনার সেখান থেকেও অনেক টাকা ইনকাম হবে এবং একসময় হতে পারে আপনার সেই ব্যবসাটি খুবই জনপ্রিয় হয়ে যাবে মানুষের মাঝে মধ্যে আমাদের বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট ওয়েবসাইট কোম্পানি রয়েছে যেমন ইভ্যালি দারাজ আরও বিভিন্ন ধরনের কোম্পানি রয়েছে যাদের থেকে আপনি যেকোনো জিনিস অর্ডার করতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইটের পাশাপাশি এই কাজগুলো করতে পারবেন তাহলে আপনি এক্সট্রা ইনকাম করতে পারবেন।

(Android app) এন্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করে ইনকাম করুন

আপনি অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ তৈরি করেও কিন্তু ইনকাম করতে পারবেন বিশেষ করে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ গুলি বর্তমানে প্লে স্টোরে হাজার হাজার দেখতে পায় আমরা যারা এগুলো তৈরি করে তাদের কিন্তু ইনকাম হচ্ছে আপনি যে বিভিন্ন ধরনের ব্রাউজার ইউজ করেন এতে কিন্তু আপনার কোন ইনকাম হচ্ছে না কিন্তু যারা এই ব্রাউজারটি তৈরি করেছে তাদের কিন্তু প্রতিনিয়ত ইনকাম হচ্ছে সেটি কিন্তু আমরা বুঝতে পারতেছি না কারণ যদি তার সেই ব্রাউজার থেকে ইনকাম এই না হয় তাহলে সে তো বেকার ব্রাউজারটি তৈরি করবে না অবশ্যই তার টাকা ইনকাম হয় সেই জন্য সে ব্রাউজার দিয়ে তৈরি করে প্লে স্টোরে পাবলিশ করে দিয়েছে।

আপনি চাইলে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট করে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে এবং প্লে স্টোরে পাবলিশ করে ইনকাম করতে পারবেন এর জন্য আপনাকে আগে ভালোভাবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করা শিখতে হবে যদিও অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করা খুব বেশি কঠিন নয় তারপরও আপনার কাছে যদি একটি ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার থাকে তাহলে আপনার ক্ষেত্রে খুবই সহজ হয়ে যাবে একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করতে প্রথমাবস্থায় আপনি যখন তৈরি করবেন তখন আপনার কিন্তু ইনকাম হবে না কারণ আপনাকে আগে মানুষের সাথে পরিচিত হতে হবে এগুলো নিয়ে তার পরবর্তী সময় থেকে আপনার ইনকাম শুরু হবে এবং আপনার আমগুলো যদি ভাল হয় তাহলে মানুষ এতগুলো ক্রয় করবে।

অ্যাপ থেকে কিভাবে মানুষ ইনকাম করে ? এই প্রশ্নটি হয়তো অনেকেরই রয়েছে আমরা বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে আমাদের ওয়েবসাইটে ইন্সটল করে থাকি এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস এর ভিতর আমরা দেখি যে বিভিন্ন ধরনের এড দেখাচ্ছে এটি কিন্তু হচ্ছে যে এটি তৈরি করছে তার লাভ সেগুলোর মাধ্যমে তারা কিন্তু ঠিকই ইনকাম করতেছে আপনি‌ আমি শুধুমাত্র আমাদের কাজের জন্য এটি ব্যবহার করি এর‌ পরবর্তী যে এটি তৈরি করেছে তার কিন্তু ইনকাম ঠিকই হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ থেকে ইনকাম করার আরো অনেক উপায় রয়েছে সে উপায়গুলোর কথা বলব আমি যে বিষয়গুলো জানি আমি অবশ্যই আপনাদের সাথে সেই বিষয়গুলো নিয়েই শেয়ার করব যাতে আপনারাও সেই বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে জানতে পারেন।

আপনি নিজেও কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ চালিয়ে ইনকাম করতে পারবেন এর জন্য আপনাকে ইউজার দের দ্বারা কাজ করাতে হবে যদি আপনি কিছু টাকা ইনভেস্ট করেন তাহলে অনেক ইউজার পাবেন অ্যাপসের জন্য বাংলাদেশের যে অ্যাপস গুলো তে 100% পেমেন্ট করে তাদের অ্যাপ গুলোতে দেখবেন অনেক ইউজার যদি আপনি কিছু টাকা ইনভেস্ট করতে পারেন তাহলে বিভিন্ন এডস নিয়ে যেমন রয়েছে Admob ,starapp এই আ্যড গুলো থেকে আপনি 100% পেমেন্ট নিতে পারবেন যদি ইউজার দিয়ে কাজ করান তাহলে প্রতি মাসে আপনার অনেক টাকা ইনকাম হবে একটি অ্যাপস থেকে এছাড়াও আরো একটু উপায় রয়েছে কোন ইউজারকে টাকা দিয়ে না কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন।

অ্যান্ড্রয়েডের বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস রয়েছে তো আপনি ধরুন একটি ব্রাউজার অ্যাপ তৈরি করলেন সেটিতে এই অ্যাড গুলো বসাবেন তারপরে অ্যাপসটি প্লে স্টোরে পাবলিশ করে দিবেন তারপর নার এই অ্যাপসটি কেউ তার ফোনে ব্যবহার করে তাহলে আপনার ইনকাম হবে এবং যদি আপনি ভালো অ্যাপ তৈরি করতে পারেন তাহলে অনেক মানুষ হয় আপনার সেই অ্যাপটি ব্যবহার করবে ব্রাউজার অ্যাপ গেমিং অ্যাপ ফটো এডিটিং অ্যাপ আরো বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ তৈরি করতে পারেন যেগুলো বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় আশা করি এন্ড্রোয়েড এ্যাপ নিয়ে যদি আপনি কাজ করতে চান তাহলে কাজ করতে পারেন এছাড়া বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে আপনি বিক্রি করতে পারবেন তাদের থেকে অর্ডার নিয়ে।

ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং বিক্রি করে ইনকাম

আপনি যদি একজন ওয়েব ডিজাইনার এবং ডেভেলপার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি ওয়েবসাইট বিক্রি করে ইনকাম করতে পারবেন প্রথমে আপনাকে যা যা করতে হবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে এবং সেটি ভালোভাবে ডিজাইন করতে হবে এর পরবর্তী সময়ে আপনি অনেক কাস্টমার পাবেন সেই ওয়েবসাইটটি কিনার জন্য তো খুবই কম ওয়েব ডিজাইনার রয়েছে কারণ বেশিরভাগ মানুষ হয় কিন্তু থিম ব্যবহার করে ওয়েব সাইটের জন্য এবং আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করেন তাহলে সেই থিম এর অরিজিনাল মূল্য অনেক টাকা হবে তবে ওয়েব ডিজাইনার শিখতে হলে আপনাকে অনেক প্রকার কোডিং শিখতে হবে তাহলে আপনি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট ডিজাইনার হতে পারবেন।

এছাড়া বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট করে রাখতে পারেন যেমন ধরুন ফাইবার আপওয়ার্ক আরো বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেস হয়েছে যেখানে আপনার অ্যাকাউন্ট করে রাখতে পারেন এবং সেখানে গিগ পাবলিশ করতে পারেন একটা ওয়েব ডিজাইনারের কিন্তু অনেক মূল্য আপনি যদি খুব ভালো একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে পারেন এবং বিষয়টি মানুষকে দেখাতে পারেন পরবর্তী সময়ে আপনি আরো অনেক কাজ পাবেন ধরুন আপনি একটি কাজ পেলেন ওয়েবসাইট ডিজাইন যদি আপনার ডিজাইনটি অনেক সুন্দর হয় এবং সবকিছু ভালো হয় তাহলে দেখবেন যে পরবর্তী সময়ে কাস্টমার টি আপনার কাছ থেকে আবার ওয়েবসাইট ডিজাইন করে নেবে।

এই কাজগুলো শিখতে হলে সর্বপ্রথম যেটি শিখতে হবে সেটি হচ্ছে কোডিং ওয়েবসাইটের ডিজাইন এর মেন হচ্ছে করে যদি আপনি দিনগুলো ভালোভাবে শিখতে পারেন তাহলে আপনি যেকোন ভাবে একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে পারবেন এবং আপনার যদি করি না জানা থাকে তাহলে আপনি সাধারণ থিমগুলো দিয়েও ওয়েবসাইট কাস্টমাইজেশন করতে পারবেন না অবশ্যই আগে কোডিং গুলো ভালোভাবে জেনে নেবেন ফ্রিতে যদি আপনি শিখতে চান তাহলে এর জন্য রয়েছে গুগল এবং ইউটিউব কিভাবে ওয়েবসাইটের কোডিং করে এবং কিভাবে ওয়েবসাইট ডিজাইন করে এই বিষয়গুলো নিয়ে অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন ইউটিউব এবং গুগোল এ সবচেয়ে ভালো হবে আপনি যদি ইউটিউবে এইগুলো নিয়ে বেশি যাচাই বাছাই করেন কারণ সেখানে অনেক ভিডিও পাবেন।

তো ধরুন আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলেন এবং সুন্দরভাবে নিজের ডিজাইন করলে এবং এরপর ওয়েবসাইটে কিছু কনটেন্ট অর্থাৎ আর্টিকেল পাবলিশ করবেন আপনার ওয়েবসাইটটিতে যদি অনেক পরিমান ভিজিটর আসে তাহলে আপনি এই ওয়েবসাইটটি অনেক টাকায় বিক্রি করতে পারবেন তো কিভাবে ওয়েবসাইটে বেশি করে ট্রাফিক আনবেন এর জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে একটি পোস্ট রয়েছে অথবা এখানে ক্লিক করে দেখতে পারেন কিভাবে ওয়েবসাইট এর ভিজিটর বানাবেন খুব সহজে ওয়েবসাইটে অবশ্যই ভালোভাবে এস‌ইও করতে হবে তাতে আপনার ওয়েবসাইটে গুগল থেকে অনেক পরিমানে ভিজিটার আসে একটি ওয়েবসাইটের মেন কিন্তু তার হচ্ছে ভিজিটার আমাদের আমাদের ওয়েবসাইটে এটি নিয়ে একটি পোষ্ট রয়েছে সেখানে আমি বলে দিয়েছি কিভাবে ওয়েবসাইট ভিজিটর বাড়াবেন অবশ্যই সেই পোষ্টটি দেখে নিবেন।

আপনার ওয়েবসাইটটি সম্পূর্ণ রেডি করে যদি সেখানে গুগল এডসেন্স এড করাতে পারেন তাহলে আরো বেশি দামে ওয়েবসাইটটি বিক্রি করতে পারবেন সবকিছু আপনি নিজে তৈরী করেন তাহলে ওয়েবসাইট এর দাম 20 থেকে 30 হাজার টাকা বিক্রি করতে পারবেন এর জন্য বিভিন্ন ধরনের ফেসবুক গ্রুপ রয়েছে সেখানে আপনি পোস্ট করবেন এবং কেউ কিনতে চাইলে তার সাথে গ্রুপের এডমিন ডিল করে আপনার ওয়েবসাইটটি বিক্রি করে দিতে পারেন।

আর্টিকেল সেল করে ইনকাম করুন

আপনি অনলাইনে আর্টিকেল বিক্রি করেও ইনকাম করতে পারবেন এর জন্য আপনাকে আগে অবশ্যই ভালো একজন আর্টিকেল রাইটার হতে হবে তাহলে আপনার আর্টিকেলগুলো মানুষ ক্রয় করবে একজন আর্টিকেল রাইটার এর মূল্য কিন্তু অনেক কারণ তার আর্টিকেলগুলো দ্বারা একটি ব্লগ বা একটি ওয়েবসাইট চলবে তো তাহলে বুঝতেই পারতেছেন যে একজন আর্টিকেল রাইটার এর মূল্য কী পরিমাণ অবশ্যই আপনাকে একজন প্রফেশনাল আর্টিকেল রাইটার হতে হবে তাহলে আপনার আর্টিকেলগুলো মানুষ ক্রয় করবে যদি আপনার আর্টিকেলগুলো ভালো না হয় তাহলে কিন্তু মানুষ টাকা দিয়ে আপনার আর্টিকেলগুলো ক্রয় করবে না।

অনেকেই বলতে পারেন যে কিভাবে আমরা আর্টিকেল রাইটার হব এর জন্য আপনাকে আগে প্র্যাকটিস করতে হবে এবং আপনাকে আগে বিভিন্ন বিষয়ের উপর জানতে হবে আপনার যে বিষয়টির উপর ভালো ধারণা রয়েছে সেই বিষয়টি নিয়ে রিসার্চ করতে হবে তাহলে আপনি সেই বিষয়টির উপর ভালো একটি ধারণা পাবেন এবং সেটি দিয়ে সুন্দর একটি আর্টিকেল তৈরি করতে পারবেন অনেকেই আছে যারা অন্যের আর্টিকেল তৈরি করে নিজের ওয়েবসাইটে পাবলিশ করেন তাদের কিন্তু কোনো লাভ হবে না কারন আপনার আর্টিকেল কোনদিনও ভালোভাবে গুগোলে‌ Rank করবে না।

এবং আপনি যদি একজন প্রফেশনাল আর্টিকেল রাইটার হতে চান সবসময় মনে রাখতে হবে যে আমি যা আর্টিকেলটি লিখবো সেটি যেন কোনোভাবেই অন্য কারো আর্টিকেল এর সাথে না মিলে যায় অনেকেই হয়তো ভাবতে পারেন যে আমি যদি একটি আর্টিকেল এর মধ্যে কিছু কিছু ওয়ার্ড কপি করে অর্থাৎ অন্য কোন ওয়েবসাইট থেকে কিছু কিছু অংশ যদি আমি একটি আর্টিকেল এ পেস্ট করে দেই তাহলে আর্টিকেলটি সুন্দর হবে এই ধারণাটা একদম এ ভুল কারণ গুগলের প্রতিটি লাইনে ইন্ডিক্স রয়েছে একটি ওয়েবসাইটের একটি পোষ্ট গুলো যদি Rank করে এবং আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে এই পোস্টটি কপি করেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি কোনদিনও ভালোভাবে গুগোল Rank করবে না.

এর জন্য যে কোন আর্টিকেল পূরটি নিজে লেখার চেষ্টা করবেন যে কোন বিষয় নিয়ে লিখবেন তা অবশ্যই পুরোটি নিয়ে লিখবেন অনেকে হয়তো একটি বিষয় নিয়ে লেখে কিন্তু সেই বিষয়টি পুরোপুরি ভাবে ক্লিয়ার করে না পোষ্টের মধ্যে ধরুন আপনি একটি পোস্ট লিখবেন কিভাবে ইনকাম করা যায় তো এই টপিকে যদি আপনি একটি কনটেন্ট লিখেন তাহলে সেই কনটেন্টটিতে অনলাইন ইনকাম সম্প্রতিক অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন আমরা যেমন আমাদের একটি পোস্টে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করি এবং আপনার পোস্টটি যেন অবশ্যই এসইও ফ্রেন্ডলি হয়।

তাহলে আপনার কনটেন্ট এর চাহিদা অনেকের কাছে বেড়ে যাবে এবং সাধারণত আপনি যদি ছোটখাটো আর্টিকেল লিখেন সেটিও কিন্তু বিক্রি করতে পারবেন অবশ্যই সে আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ নিজের হতে হবে কোন জায়গা থেকে যদি আপনি কপি করেন তাহলে সে আর্টিকেলটি মানুষ আপনার থেকে ক্রয় করবে না বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস সহ আপনি যদি ফেসবুকে পোস্ট করেন যে আমি একজন আর্টিকেল রাইটার আমি প্রতিদিন একটি করে আর্টিকেল বিক্রি করতে পারব তাহলে দেখবেন অনেক মানুষ আপনার পোষ্টে কমেন্ট করেছে খুবই চাহিদা আর্টিকেল রাইটার দের বর্তমানে।

শেষ কথা

আশা করি আপনার কাছে আমাদের এই আর্টিকেলটি ও ভালো লেগেছে যদি কারো কোন প্রকার বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই সেটি কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দেবেন আমরা সেটি সমাধান দেয়ার চেষ্টা করব এবং আমাদের আজকের আর্টিকেলটি আপনার কাছে কেমন লাগলো সেটি অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দেবেন এবং আপনার বন্ধুদের সাথে আমাদের ওয়েবসাইটে আর্টিকেলগুলো বেশি বেশি করে শেয়ার করবেন যাতে আপনার বন্ধুরাও দেখতে পারে আমাদের আলোচনা গুলো। তো সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং আমাদের ওয়েবসাইটের সাথে থাকবেন ধন্যবাদ সবাইকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *